Mini Cart

মাধুরায় শাড়ি কি?

মাধুরায় একটি বাংলাদেশী মহিলাদের পরম্পরাগত ও স্থানীয় উপযোগী পরিধান বলা যায়। এটি একটি উন্নত শাড়ি যা বাংলাদেশ এবং ভারতে প্রচলিত। মাধুরায় শাড়িগুলো সাধারণত স্থানীয় হাসপাতালে শিক্ষার্থী মেয়েদের পরিধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে এখন এটি আধুনিক ফ্যাশনের একটি অংশ হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।মাধুরায় শাড়িগুলো সাধারণত কাপড়ের উপর হাতে নকশা করা হয়। এই শাড়িগুলোর জন্য সামান্য ফুলকারী নকশা ব্যবহার করা হয় যা শাড়ির শারির দুই পাশে পাওয়া যায়। মাধুরায় শাড়িগুলো সাধারণত লম্বা এবং চার হাত ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এই শাড়িগুলোর উপর সাধারণত বিভিন্ন ধাতু বা বেলেজের পাতা, ফুল, শালি বা আকৃতি নকশা করা হয়। মাধুরায় শাড়িগুলো সাধারণত জর্জেট, কটন বা মুসলিন কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়।

মাধুরায় শাড়ির মাধুরায় নামটি সম্পর্কিত হতে পারে বহুদিনের পুরাতন একটি প্রচলিত বস্ত্র উপযোগী কারণ এই শাড়িগুলো একটি ঐতিহ্যবাহী এবং স্থানীয় পরিধান হিসেবে পরিচিত।

মাধুরায় শাড়ি কোথায় থেকে বাংলাদেশে আসছে

মাধুরায় শাড়ি প্রায়শই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসছে। ভারতের শুল্কমুক্ত অঞ্চল হলো মাধুরায় এলাকা, যা বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত রাজশাহী জেলা ও পাবনা জেলা থেকে অবস্থিত। মাধুরায় এলাকা প্রায়শই খাসি শিমুল ফুলের গাছের জন্য পরিচিত। এই খাসি শিমুল ফুলের গাছ থেকে তৈরি মাধুরায় শাড়িগুলো বাংলাদেশে আনা হয়।

মাধুরায় শাড়ি বাংলাদেশে প্রচলিত একটি পরিধান হিসেবে গণ্য হয়ে উঠেছে এবং এটি বাংলাদেশের স্থানীয় শিল্প এবং টেক্সটাইল শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। মাধুরায় শাড়ির উৎপাদন বিভিন্ন কারখানা বা উদ্যোগের মাধ্যমে হয়, যা বাংলাদেশে অবস্থিত রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। এছাড়াও মাধুরায় শাড়ির উৎপাদন অন্যান্য অঞ্চলের কারখানাগুলোও আছে যা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

মাধুরায় শাড়ি কত কালারের হয়?

মাধুরায় শাড়ি বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত বিভিন্ন কালারে তৈরি করা হয় যেমন লাল, হলুদ, নীল, সবুজ, বেগুনি, পিঙ্গ, কাঁচা মরিচি, বাদামি, বেজ, সাদা, কালো, স্বর্ণময়, সেপিয়া, ইত্যাদি। এছাড়াও সামান্য সাঁতারে নকশা ও গোঁফালের ব্যবহার করে মাধুরায় শাড়িগুলোতে বিভিন্ন রঙের কম্বিনেশন ব্যবহার করা হয়। মাধুরায় শাড়িগুলোর রঙবিশেষ সাধারণত পরিবর্তনশীল হয়ে থাকে মৌসুম ও ফ্যাশনের অনুযায়ী।

মাধুরায় শাড়ি কি আরাম দায়ক?

মাধুরায় শাড়ি আদর্শভাবে আরামদায়ক এবং ব্যবহার করা যায়। এর কারণগুলো নিম্নরূপ:

ক)বিনা স্তনহীন পরিমাণের উপরে দুইটি শারি প্রবেশ করে, যা একটি সংযোগ দিয়ে মিলিত হয়। এটি মহিলাদের সম্পূর্ণ শরীরে আরাম এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।

 খ) মাধুরায় শাড়িগুলো প্রায়শই হালকা ও শুষ্কস্থলীয় কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়, যা তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য আরামদায়ক করে। এই কারণে শাড়িগুলো তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে এবং ভাপ পারস্পরিক বিন্যাস বর্ধিত করে।

গ) মাধুরায় শাড়িগুলো প্রকৃতির বাতাস পানে কারণ তা প্রায়শই একটি ব্যাগে পীঠে ভারবহন করা হয়। এতে শাড়ি তুলনামূলকভাবে হালকা ও আবশ্যক সামগ্রী সংরক্ষণ করে এবং চলমান স্থিতিতেও স্বচ্ছ এবং তাজগোলাপূর্ণ রাখা যায়।

 ঘ) মাধুরায় শাড়িগুলো বিশেষভাবে মাসিক প্রায় সম্মানিত হয়। এটি নারীদের কাজে কাজে একটি স্বাধীন পরিধান প্রদান করে এবং নরকৃশি শরীরের পাশে ঘুরে বেড়ায় না।

মাধুরায় শাড়ি কি কি অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী

মাধুরায় শাড়ি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী হতে পারে। নিম্নলিখিত অনুষ্ঠানগুলোতে মাধুরায় শাড়ি পরিধান করা হয়:

পুজো: মাধুরায় শাড়ি বিশেষভাবে দুর্গা পূজা, কালীপূজা, সরস্বতীপূজা, লক্ষ্মীপূজা এবং অন্যান্য পুজার অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী। এই অনুষ্ঠানগুলোতে মাধুরায় শাড়ির বিভিন্ন রঙে আলোকিত ও নকশা করা হয় এবং মহিলাদের সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্যবাহী পরিধান প্রকাশ করে।

বিবাহ অনুষ্ঠান: মাধুরায় শাড়ি বিবাহ অনুষ্ঠানের জন্য খুবই জনপ্রিয়। মাধুরায় শাড়িগুলো নকশার সাথে সোনার ও মুক্তায়ের আবরণ সংযোজিত করে সুন্দর দেখতে এবং শুভ অবস্থান প্রদান করে।

কার্যালয়ে বা ব্যবসায়িক অনুষ্ঠান: মাধুরায় শাড়ি অফিস বা ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে পরিধানের জন্য সুপ্রসিদ্ধ। এটি বিভিন্ন রঙে তৈরি করা হয় এবং সাধারণত সংযোজনের সাথে সংযুক্ত অক্সফোর্ড শার্ট বা পুরুষের জামার সাথে মিলিয়ে পরিধান করা হয়।

সামাজিক উদ্বোধন অনুষ্ঠান: মাধুরায় শাড়ি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। যেমন প্রথম কর্মস্থলের উদ্বোধন, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন ইত্যাদি।

এসব অনুষ্ঠানগুলোতে মাধুরায় শাড়ি মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রদর্শন করে এবং আদর্শভাবে মাধুরায় শাড়ি পরিধান করলে সুন্দর এবং আত্মবিশ্বাসী মূল্যায়ন করা হয়।

মাধুরায় শাড়ির দাম কেমন?

মাধুরায় শাড়ির দাম বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন করতে পারে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাম নির্ধারণের উপায়গুলো নিম্নরূপ:

কাপড়ের গুনগত মান: উচ্চগুনগত কাপড় ব্যবহার করা হয়ে থাকলে শাড়ির দাম বেশি হতে পারে। বিভিন্ন কাপড়ের মান বিভিন্ন দামের হতে পারে এবং উচ্চগুনগত কাপড়ের নির্মাণকারীদের সামগ্রী খরচ বেশি হতে পারে।

নকশা ও ডিজাইন: মাধুরায় শাড়ির দাম নকশার ও ডিজাইনের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন করে। সম্পূর্ণ হাতে নকশা করা বা বিশেষ ডিজাইন সংযোজিত করা হলে শাড়ির দাম বেশি হতে পারে।

প্রযুক্তি এবং কারিগরি দক্ষতা: উচ্চ মানের প্রযুক্তি এবং দক্ষ কারিগরের দক্ষতা ব্যবহার করে তৈরি করা শাড়িগুলোর দাম বেশি হতে পারে। সেলাই প্রক্রিয়া, নকশা তৈরি, সুতির ব্যবহার এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে আগ্রহী কারিগরগণের খরচ বেশি হতে পারে।

পণ্যের ব্রান্ড এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা: প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে ভবিষ্যতের অপেক্ষা সৃষ্টি করে। সুপ্রসিদ্ধ ব্রান্ড বা উন্নত প্রতিষ্ঠানের শাড়ির দাম বেশি হতে পারে কারন তাদের মান ও ব্রান্ড মান বেশি মানা হয়।

এছাড়াও, বিপণন স্থান, আপুর চাহিদা, বিপণন রাজ্য, বিপণন রেঞ্জ ইত্যাদি ও উপার্জনের প্রদর্শকগুলোও মাধুরায় শাড়ির দামে প্রভাব ফেলতে পারে। সাধারণত, উচ্চমানের মাধুরায় শাড়ির দাম অনুমান করা যায়, কিন্তু এটি বিভিন্ন স্থানে এবং ব্রান্ডে ভিন্নভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।

ঢাকার কোথায় মাধুরায় শাড়ির পাওয়া যায়

ঢাকা শহরে বিভিন্ন স্থানে মাধুরায় শাড়ির বিক্রয় স্থান পাওয়া যায়। মাধুরায় শাড়ি বিক্রেতাদের প্রধান কারখানাগুলো নিম্নলিখিত অঞ্চলে অবস্থিত হতে পারে:

গুলশান: গুলশান এলাকা ঢাকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত হলেও এখানে বিভিন্ন মাধুরায় শাড়ি দোকান এবং শপ পাওয়া যায়। গুলশানে রেল্ক্রসেন্ট সেন্টার, বানানী সুপার মার্কেট, নাবান্না, উত্তরা সিটি, আরেক্স সিটি, এভিনিউ আপার্টমেন্ট ইত্যাদি অঞ্চলে মাধুরায় শাড়ির দোকান পাওয়া যায়।

দক্ষিণ দহরা: দক্ষিণ দহরা ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হলেও এখানেও মাধুরায় শাড়ির দোকান ও শপ পাওয়া যায়। দক্ষিণ দহরা সুপার মার্কেট, পার্ক সিটি, বাংলা নগর, রপ্তান মার্কেট, নিউ এসটেট আরেক্স ইত্যাদি অঞ্চলে মাধুরায় শাড়ির দোকান পাওয়া যায়।

বনানী: বনানী ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হলেও এখানে মাধুরায় শাড়ির দোকান পাওয়া যায়। বনানী পার্ক, বনানী সুপার মার্কেট, বনানী এক্সচেঞ্জ, নিউ সিটি কমিউনিটি, বাসায় বানানী ইত্যাদি অঞ্চলে মাধুরায় শাড়ির দোকান পাওয়া যায়।

মেয়েদের জন্য মাধুরায় শাড়ি

মাধুরায় শাড়ি মেয়েদের জন্য একটি অত্যন্ত পছন্দসই পরিধান। এটি মেয়েদের গৌরবময় এবং ঐতিহ্যবাহী পরিধান হিসেবে গণ্য করা হয়। মাধুরায় শাড়ি নিম্নলিখিত কারণগুলোর জন্য মেয়েদের জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী:

সুন্দর ডিজাইন ও নকশা: মাধুরায় শাড়িগুলো অনেকটা স্বনিমিত্ত ডিজাইন ও নকশার সাথে পরিপূর্ণ। ব্রাইডাল শাড়ি থেকে দৈনন্দিন পরিধানের জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের মাধুরায় শাড়ি পাওয়া যায়।

বিভিন্ন রঙের ভিন্নভাবে পরিমাণিত: মাধুরায় শাড়িগুলো প্রায়শই বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়, যেমন লাল, সবুজ, নীল, হলুদ, কাঁচা মরিচি, পিঙ্গ, সাদা, কালো ইত্যাদি। এটি মেয়েদের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী চয়ন করা যায়।

কার্যালয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী: মাধুরায় শাড়ি উচ্চমানের প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য একটি সুপ্রসিদ্ধ পরিধান। কার্যালয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে এই শাড়িগুলো পরিধান করা হয়।

মাধুরায় শাড়ির কারিগরি দক্ষতা: মাধুরায় শাড়িগুলো একটি কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন পরিধান। প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা প্রয়োজনে এই শাড়িগুলো তৈরি করা হয়।

মাধুরায় শাড়ি প্রদর্শনে বিশেষ গৌরব: মাধুরায় শাড়ি পরিধান করা মেয়েদের সম্মান এবং বিশেষ গৌরবের সূচক। এটি ঐতিহ্যবাহী এবং পর্যাপ্ত রীতি-নীতি মেনে চলা সম্প্রদায়ের একটি অংশ।

শাড়ি কেন নারীদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে?


শাড়ি হল এমন একটি পোশাক যা পড়লে বাংলার মেয়েদের রূপকে আরও বেশি সুন্দর করে তোলে। শাড়ি পারে একটি মেয়ের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি করতে। বাঙালি মেয়েরা শাড়ি পরতে অনেক বেশি পছন্দ করে থাকেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠান, বিভিন্ন পার্টি এছাড়া অনেক অনুষ্ঠানে তারা শাড়ি পরিধান করে থাকেন। পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠান, বিভিন্ন পার্টির খুব সুন্দর সুন্দর শাড়ি পেয়ে যাবেন মেহ্‌জিনে

কোন এক সময় বাংলার মেয়েরা সব সময় শাড়ি পরিধান করে থাকতেন। কিন্তু এখন বিভিন্ন ধরনের থ্রি পিস  আর ম্যাক্সি পরিধান করায় মেয়েরা শাড়ি কম পরিধান করে। কিন্তু বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মেয়েরা তাদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তারা বিভিন্ন ধরনের রং বেরঙ্গের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। যেমন তাঁতের শাড়ি, কাতান শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের সিল্ক শাড়ি, এছাড়া এখন নতুন পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক এর শাড়ি। আবার আছে নকশী শাড়ি, মেয়েরা তাদের শাড়িতে নিজেদের ইচ্ছেমতো বিভিন্ন ধরনের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলেন, কেউ কেউ পরে ফেব্রিক এর মাধ্যমে রং তুলি দিয়ে আবার কেউবা পরে সুই সুতা দিয়ে নিজের মতো করে শাড়ি। এ শাড়ি গুলো পরলে মেয়েদের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বেনারসি শাড়ি, মসলিন শাড়ি, জামদানি শাড়ি, জর্জেট শাড়ি এগুলো বাংলার নারীরা বেশি পরিধান করে থাকেন।

এছাড়া এখনকার মেয়েরা নিজের পছন্দমত শাড়িতে চুমকি এবং জরি দিয়ে বিভিন্ন রূপে শাড়ীকে সাজ্জিত করে থাকেন। কোন কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বাংলার রূপ বৈচিত্র, আবার কোন কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের ছবি, আবার কোন কোন শাড়ীতে দেখা যায় বিভিন্ন আলপনা। এরকম শাড়ি দেখলে বাংলার প্রাচীন বাংলাকে স্মরণ করিয়ে দেয় সবার মাঝে। এ শাড়ি বিদেশেও খুব প্রচলন রয়েছে। তারাও এরকম শাড়ি পড়তে খুব পছন্দ করে। কারণ কথায় আছে শাড়ি হচ্ছে নারীর ভূষণ।


শাড়ি হচ্ছে এমন একটি জিনিস যা নারীদের রূপ বৈচিত্র কে এক নতুন রূপে সজ্জিত করে তুলে। এছাড়া শাড়ি হচ্ছে আমাদের প্রাচীন বৈশিষ্ট্যকে টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম। বারো হাত হচ্ছে শাড়ি, যা নারীদের সৌন্দর্যকে গরে তোলে এক অপরূপ বৈচিত্রে। যা অন্য পোশাক পড়লে নারীকে এতটা সুন্দর কখনো লাগবেনা।  তাই বলা হয় শাড়ি ছাড়া নারীকে অন্য  পোশাকে কোনদিনই মানাবে না। সেজন্য বাংলার রূপ বৈচিত্র কে টিকিয়ে রাখতে হলে শাড়ির কোন বিকল্প উপায় নেই বলা চলে। তাই সবার একটি কথাই মেনে চলতে হবে শাড়ির মাধ্যমেই আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে পারি। আর শাড়ির কদর শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বব্যাপী শাড়ির কদর রয়েছে অপরিসীম।

 

বাংলার মেয়েরা বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। যেমনঃ সাধ, বিবাহ, অন্নপ্রাশন এছাড়াও মুসলমানিতে তারা বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। বিভিন্ন উৎসব মানেই মনে হয় নারীদের শাড়ির কদর কেমন তা বুঝা যায়। শাড়ির দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকে নারীদের। যা দেখলে বোঝা যায় বাংলাদেশের নারীদের শাড়ির কদর কত বেশি। এছাড়া বাংলাদেশি শাড়ি বিশ্বে অনেক প্রচলন রয়েছে। বাংলার জামদানি মসলিন কাতান যা অন্য দেশের  থেকে অনেক গুনে ভালো, যার কদর সারা জীবনই অনেক রয়েছে এবং থাকবে। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি শাড়ির জন্য বিখ্যাত। এই শাড়ি গুলো বিশ্বে রপ্তানি হয়ে বাংলা রপ্তানি ভাগ্যকে অনেক বেশি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা হচ্ছে। তাই কথায় বলা হয় শাড়ি হচ্ছে নারীর ভূষণ এবং শাড়িই হচ্ছে নারীর কদর।


আমরা যেহেতু বাঙালি, তাই বাঙালি নারীদের শাড়ি পরা পছন্দ করে এটাই স্বাভাবিক। শাড়ি কিন্তু বাঙালি নারীদের পোশাক। সত্যিকথা বলতে গেলে বাঙালি মেয়েরা একটু খায় বেশি। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের দেহ মোটা একটু। আপনি যদি দক্ষিণ ভারতের মেয়েদের দেখেন সেক্ষেত্রে এমনটা দেখবেন না। আর মোটা মেয়েদের শাড়ি পরলে সবচেয়ে সুন্দর বেশি লাগে । শাড়ি পরলে সব কভার হয়ে থাকে।

নিত্য নতুন পোশাকের আধুনিকায়ন হলেও বাঙালি নারীর শাশ্বত সৌন্দর্য ফুটে ওঠে কেবল শাড়িতেই শুধু। শাড়ির চিরন্তন আবেদন আজও অমলিন রয়ে গেছে। ১২ হাত একখানা শাড়ির সৌন্দর্যের কাছে যেন হার মানে অন্য সব দামি দামি পোশাক। আর তাই তো বাঙালি নারীদের কাছে শাড়ি খুব শখের একটি পোশাক।


বারো হাত লম্বা একটি সেলাইবিহীন কাপড়কে সুকৌশলে নিখুঁতভাবে যদি গায়ে জড়িয়ে নেওয়া যায় সেই শৈল্পিক সৌন্দর্য শুধু বাঙালি নারীরাই জানে। আবার এই বিশাল কাপড় শরীরে জড়িয়ে সব কাজ করার ক্ষমতা শুধু নারী মানে বাঙালি নারীরাই করতে পারে। শাড়ি পরে যেমন অনেককে পুকুরে সাঁতার দিতে দেখা যায়, আবার শাড়ি পরে মোটরসাইকেলে চড়তে দেখা যায়, সাইকেলে চড়তে, হাঁড়ি চালাতে ইত্যাদি যায়গায় দেখা যায়। যুগ যুগ ধরে শাড়ির এই বিলাসিতা বিরাজ করুক বাঙালি নারীরা।

শাড়ি পরলে নারীদের  সৌন্দর্য আরও দ্বিগুন বৃদ্ধি পায়। তাই আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে  মেহ্‌জিনের কালেকশনের শাড়ি পরতে পারেন। খুব কম প্রাইজের মধ্যে সুন্দর সুন্দর শাড়ি পেয়ে যাবেন। 

 

এখানে অনেকেই আছে ওয়েবসাইট বানাতে চাচ্ছেন, আপনি যদি Website বানাতে চান  তাহলে Foresight IT এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও তারা Monthly PackageDigital marketing Services Provide করে থাকে।

 [/vc_column_text][/vc_column][/vc_row]

সবার কোন কোন Saree Collection থাকা অবশ্যই জরুরীঃ

 

বাঙালি নারীর সবচেয়ে নান্দনিক পোশাক হচ্ছে শাড়ি। যুগে যুগে শাড়ি আমাদের ফ্যাশনের অংশ হয়েছে।শাড়ি খুব আরামদায়ক পোশাক, তাই মেয়েরা ভালোবেসেই শাড়ি পরে থাকে। শুধু বাঙালিরাই না ভারত, শ্রীলংকা এমনকি পাকিস্তানের অনেকাংশের মেয়েরা শাড়ি পরে থাকে। এখন শাড়ি একটি ভীষণ এলিগেন্ট পোশাক, যেকোনো মেয়েকে শাড়ি পরলে অন্য যেকোনো পোশাকের তুলনায় ভীষণ সুন্দর লাগে৷


দিন দিন নতুন নতুন ডিজাইনের শাড়ীর কালেকশন বের হচ্ছে। প্রণয়িনী তে নতুন নতুন কালেকশনের শাড়ী রয়েছে যা পড়লে আপনার পার্টি স্টাইল একদম জমে ক্ষীর হয়ে যাবে।

তাহলে চলুন কিছু নতুন ডিজাইনের শাড়ির কালেকশন জেনে নেই-

১. সিল্ক টিসু অ্যাপলিক শড়ি

এ শাড়ী পরতে খুবেই আরাম এবং ক্যারি করা খুবেই সহজ। এ শাড়ীর দাম বেশি না। আর এর সাথে ব্লাউজের পিস রয়েছে। যার জন্য খুব সুন্দর দেখায় এবং শাড়ীর সাথে খুব সুন্দর মানিয়ে যায়।

Saree Collection
Saree Collection

২. হাফ সিল্ক জামদানী

খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি রয়েছে প্রণয়িনী তে। যা খুব স্বল্প দামে পেয়ে যাবেন। এ শাড়ী যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীর কদর অনেক। বিভিন্ন ডিজাইনের ভিন্ন ভিন্ন কালারের শাড়ী পাবেন এখানে।

Saree Collection
Saree Collection

৩. অরিজিনাল ঢাকাই জামদানী

অরিজিনাল ঢাকাই জামদানী। ভাল শাড়ির কদর করা ভাল। প্রণয়িনীর সুন্দর সুন্দর শাড়ির কালেকশন রয়েছে অনেক। যা খুব কম দামে পাবেন। এ শাড়ি যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

Saree Collection
Saree Collection

৪. অরিজিনাল রাজশাহী সিল্ক

শাড়ির কালেকশনে অরিজিনাল রাজশাহী সিল্কের শাড়ি থাকবে না এরকমটা হতেই পারে না। রাজশাহীর বিভিন্ন ধরণের সিল্ক কালেকশনের মধ্যে আপনার কালেকশনে নিতে চান? তাহলে প্রণয়িনী এর সাথে থাকুন। এখানে আছে অরিজিনাল রাজশাহীর সিল্কে শাড়ি।


৫. মনিপুরি শাড়ী

মনিপুরি এনা সিল্ক শাড়ী পরতে খুবেই আরামদায়ক। এবং দামও হাতের লাগালে। এ শাড়ীর ১৩ হাত এবং ২.৬ বহর। এ শাড়ীর সাথে ব্লাউজ পিস নেই।


৬. ধুপিয়ান সিল্ক

জনপ্রিয় ধুপিয়ান সিল্ক অসাধারণ কালারের শাড়ি গুলো সফট ও পড়তে খুবই আরামদায়ক। এ শাড়ীর দাম খুবেই কম। যেকোন অনুষ্ঠানে, নতুন হোল্ড, বিবাহ,  নিমন্তন, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীগুলি পড়তে খুবেই আরাম।

Saree Collection
Saree Collection

৭. রাজশাহীর ফ্লোরা সিল্ক শাড়ি

শাড়ির কালেকশনে অরিজিনাল রাজশাহী ফ্লোরা সিল্কের শাড়ি থাকবে না এরকমটা হতেই পারে না। রাজশাহীর বিভিন্ন ধরণের সিল্ক কালেকশনের মধ্যে আপনার কালেকশনে নিতে চান? তাহলে প্রণয়িনী এর সাথে থাকুন। এখানে আছে অরিজিনাল রাজশাহীর সিল্কে শাড়ি।


Saree Collection
Saree Collection

৮. অরিজিনাল মসলিন শাড়ী

খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি রয়েছে প্রণয়িনী তে। যা খুব স্বল্প দামে পেয়ে যাবেন। এ শাড়ী যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীর কদর অনেক। বিভিন্ন ডিজাইনের ভিন্ন ভিন্ন কালারের শাড়ী পাবেন এখানে।


৯. এন্ডি সিল্ক

অরিজিনাল রাজশাহী এন্ডি সিল্ক পরতে খুবেই আরাম। এটি ১৪ হাত শাড়ি, রানিং ব্লাউজ পিস সহপাবেন প্রণয়িনীতে। এ শাড়ী ড্রাই ক্লিন করতে হয়। নয়তো নষ্ট হয়ে যায়।


নতুন নতুন শাড়ীর ডিজাইন পেতে হলে প্রণয়িনীর সাথেই থাকুন। এখানে পাবেন নতুন নতুন কালেকশনের শাড়ি। যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

Saree Style কেমন হওয়া উচিৎ:


কথাইয় আছে – যে রাঁধে সে চুল ও বাঁধে। এ কথা টা মেয়েদের তুলনা করে বলা হয়েছে। শাড়ি ফ্যাশান(Saree Fashion) এর চল কোনও দিন পুরনো হবে না। আর ফ্যাশানের কথা কি আর বলব শাড়ি হচ্ছে বেশ ট্রেন্ডিং। অনেকে সাবেকিয়ানাতে শাড়ি পড়েন আবার অনেকে ফ্যাশানে শাড়ি পড়ে থাকেন।

আজকাল অনেকেই শাড়ি পরাকে খুবই ঝামেলা মনে করে থাকেন। আবার অনেকে পুরোনো স্টাইল মনে করে থাকেন। আর যারা সচরাচর শাড়িকে একটু ভিন্ন মাত্রায় দেখতে চান তাদের জন্য কিছু টিপস দিচ্ছি। এসব স্টাইলে শাড়ি পরলে খুবেই সুন্দর দেখাবে আপনাকে। শাড়ি যদি একটু স্টাইল করে পরে তবে সবাইকেই বেশ সুন্দর দেখায়।


বিভিন্ন স্টাইল এর শাড়ি পরার নিয়ম-

Saree Style
Saree Style

ধুতি স্টাইল

এখানে মেয়েদের ধুতি পড়ার কথা বলা হয় নাই, তবে এই স্টাইল নিয়ে আসতে পারেন সচরাচর শাড়ী পরার স্টাইলে। তাই পরেরবার যদি কোন অনুষ্ঠানে যেতে হয়,তবে আপনি চাইলে এই ধুতি স্টাইলে শাড়ি পরার একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই লেগিংস বা জিন্স পড়তে হব। এ স্টাইলে পেটিকোট পরা লাগবে না। কারন পেটিকোট এ শাড়িতে ধুতির প্রভাব আনতে অসুবিধা হয়। ধুতি স্টাইল হয়ত একটু কঠিন মনে হতে পারে আপনাদের কাছে তবে একবার পরার পর আশা করি খারাপ লাগবে না এবং সহজ হয়ে যাবে। তাছাড়া এভাবে শাড়ী পরলে আপনাকে বেশ ভালো লাগবে চেষ্টা করে দেখলে তো আর কোন দোষ নেই। ধুতি স্টাইলে শাড়ি পড়ার  ক্ষেত্রে অবশ্যই শিফন বা লিনেন কাপড় বেঁছে নিবেন। কারণ এ ধরনের কাপড় খুব সহজেই যেভাবে খুশি সেভাইবেই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে নিতে পারবেন খুব সহজেই। এর সাথে হাতাকাটা বা অফ-শোল্ডার ব্লাউজ নিতে পারেন, এতে খুব ভালো মানিয়ে যাবে।


Saree Style
Saree Style

বেল্ট স্টাইল


এখন বেল্ট স্টাইল শাড়ী পরাটা অনেকটাই পরিচিত হয়ে উঠেছে সবার কাছে। বেল্ট স্টাইল এ শাড়ী পরে যেখানে সাধারণ শাড়িকে আপনি করে তুলতে পারেন স্টাইলিশ। এ স্টাইলের জন্য আপনি যেকোন রঙের শাড়ি বেঁছে নিতে পারেন। তবে হ্যা গাঢ় রঙের শাড়িতে বেল্ট স্টাইল অনেক বেশি মানানসই হয়ে থাকে। এই স্টাইলের জন্য ইনফিনিটি ড্রেপ দেওয়া শাড়ির স্টাইলের সাথে এই সাজ অভিনবত্ব আনার জন্য জুড়ে নিন একটি বেল্ট। আপনি এই বেল্ট স্টাইল শাড়ীর  সাথে ব্লাউজের বদলে টপ বা শার্ট পরতে পারেন। এতে দেখতে আপনাকে খারাপ লাগবেনা আর শাড়িটাও বেশ ফিট থাকবে। এতে দেখতে খুবেই সুন্দর লাগবে।

 

 

 

 

প্যান্ট স্টাইল

Saree Style
Saree Style

এ স্টাইলে শাড়ী পরতে আপনার শাড়ীর সাথে যেকোন একটি প্যান্ট লাগবে, লেগিংস বা জিন্স প্যান্ট হলে ভালো হয়। এতে দেখতে খুবেই সুন্দর লাগে। এই স্টাইলে শাড়ী পরলে  আপনাকে যেমন স্মার্ট দেখাবে তেমনি ঐতিহ্যবাহী পোশাকও পরা হবে, এতে অন্য রকম একটা লুক আসবে। এই স্টাইলে পেটিকোটের কোন প্রয়োজন নেই। এ স্টাইলের জন্য প্রথমে শাড়ি পেচানোর পরিবর্তে শাড়ির কুচি থেকেই বাকি অংশ আঁচলের মত পড়ে নিতে হবে ন। যাতে একদিকে আপনার শাড়ির ভাঁজ দেখা যাবে, এবং অন্যদিকে আপনার প্যান্টও যাতে দেখা যাবে হাটার সময়। এতে আপনাকে খুব সুন্দর লাগবে। এই ধরনের স্টাইল খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে তরুণীদের জন্য। যারা শাড়ি সামলানো ঝামেলা মনে করেন,তারা এ স্টাইল ট্রাই করতে পারেন খুব সহজেই শাড়ী বহন করা যায়। আর তাদের জন্য একদম মানিয়ে যাবে প্যান্ট স্টাইল শাড়ি পরা। বর্তমানে তরুণীরাই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করছে এ ধরনের শাড়ীর ফ্যাশন। এতে একটা নয়া লুক ভাব আসে।


Saree Style
Saree Style

নেক ড্রেপ স্টাইল

অনেকেই ওড়নার একপাশ সামনে ছেড়ে দিয়ে অন্যপাশ গলায় পেচিয়ে পড়েছেন, একেই নেক ড্রেপ স্টাইল বলে। তাই নেক ড্রেপ স্টাইল এ  শাড়ি পরলে কিন্তু মন্দ দেখাবে না। শাড়ির আঁচল পিছনে ছেড়ে না দিয়ে তা ঘুরিয়ে সামনে আনবেন। এরপর সেই আচল গলার সাথে পেচিয়ে এবার পিছনে দিয়ে দিন। এ স্টাইলের জন্য আঁচলের দৈর্ঘ্য অনেকটাই বড় রাখতে হবে তা নাহলে ঘুরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। এভাবে আঁচলের অনেকরকম স্টাইলও করা সম্ভব হবে। তবে এ স্টাইলের (নেক ড্রেপ) স্টাইলে শাড়ি হতে হবে শিফন বা লিনেন কাপড়ের যাতে পড়তে অসুবিধে না হয়। আপনি যদি খুব ভারী কাপড়ের শাড়ি বেঁছে নেন, তাহলে তা গলায় ড্রেপ করলে সাছন্দ্যবোধ করবেন না। এবং কি সুতি বা জামদানিতেও এই ধরনের স্টাইলে মানাবে না, দেখতে বাজে লাগবে। তাই শাড়ি পছন্দ করার সময় কাপড়ের ধরন দেখে পছন্দ করবেন। যেহেতু এ স্টাইলে গলায় পেচানর একটা ব্যাপার থাকে তাই ছড়ানো গলা বা বোর্ড গলার ব্লাউজ পছন্দ করে পড়বেন।


 


সামনে আঁচল স্টাইল

Saree Style
Saree Style



আমরা সচারচর সবাই আঁচল পিছনে ফেলে শাড়ী পরি। কিন্তু এবার একটু ভিন্ন স্টাইলে শাড়ী পরা শিখাব। সেটা হচ্ছে সামনে আঁচল রাখার স্টাইলে শাড়ী পরা শিখাব। এ স্টাইলে সচরাচর যে নিয়মে শাড়ি পরে থাকেন সেভাবেই, শুধু আঁচল পিছনে না দিয়ে তা ঘুরিয়ে এনে সামনে দিয়ে দিলেই হয়ে যাবে। সব ধরনের কাপড়ের শাড়ির সাথেই এ স্টাইলে পরতে পারবেন খুব সহজেই।


Saree Style
Saree Style

ক্লাসিক ট্যুইস্ট

ক্লাসিক্যাল ট্যুইস্ট স্টাইল মেয়েদের একদম মর্ডার্ণ লুক এনে দেয়। এ স্টাইলে মেয়েদের  দেখতে অনেকটা স্মার্ট লাগে। ক্লাসিক ট্যুইস্ট স্টাইলে শাড়ী ক্যারি করাও খুব সহজ হবে। শাড়িটি যেভাবে পড়বেন আর শাড়ির আঁচলটা আপনি প্লিট করে সরু করে নিবেন। এবং কোমরের কাছে একটু নিচু করে শাড়িটি পড়বেন এবার প্লিট করা আঁচলটা কাঁধের উপর ফেলে দিন। এই স্টাইলে শাড়ী পরলে খুব সুন্দর দেখাবে।


নতুন নতুন শাড়ীর ডিজাইন পেতে হলে প্রণয়িনীর সাথেই থাকুন। এখানে পাবেন নতুন নতুন কালেকশনের শাড়ি। যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

নতুন ডিজাইনের শাড়ি কালেকশন


যতই মেয়েরা জিন্স পরুক,পালাজো পরুক শাড়ির প্রতি মেয়েদের টান টা থেকেই যাবে। বাঙালি নারীর কাছে সব সময়ের সেরা পোশাক হচ্ছে শাড়ি। শাড়ি মেয়েদের কাছে শুধু একটা কাপড় নয়, শাড়ি মানে প্রথম শাড়ি তার মায়ের শাড়ি পরা,বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শাড়ি পড়া, এমন অনেক স্মৃতি।

বর্তমানে নিত্য নতুন শাড়ীর কালেকশন বের হচ্ছে। যা প্রণয়িনী তে নতুন নতুন কালেকশনের এর শাড়ী রয়েছে। যা খুব কম প্রাইজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত আছে।

তাহলে চলুন কিছু নতুন ডিজাইনের শাড়ি কালেকশন জেনে নেই- Designer Saree Collection



১. সিল্ক টিসু অ্যাপলিক শড়ি – Designer Saree Collection 

এ শাড়ী পরতে খুবেই আরাম এবং ক্যারি করা খুবেই সহজ। এ শাড়ীর দাম বেশি না। আর এর সাথে ব্লাউজের পিস রয়েছে। যার জন্য খুব সুন্দর দেখায় এবং শাড়ীর সাথে খুব সুন্দর মানিয়ে যায়।



২. হাফ সিল্ক জামদানী

খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি রয়েছে প্রণয়িনী তে। যা খুব স্বল্প দামে পেয়ে যাবেন। এ শাড়ী যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীর কদর অনেক। বিভিন্ন ডিজাইনের ভিন্ন ভিন্ন কালারের শাড়ী পাবেন এখানে।


৩. অরিজিনাল ঢাকাই জামদানী – Designer Saree Collection 

অরিজিনাল ঢাকাই জামদানী। ভাল শাড়ির কদর করা ভাল। প্রণয়িনীর সুন্দর সুন্দর শাড়ির কালেকশন রয়েছে অনেক। যা খুব কম দামে পাবেন। এ শাড়ি যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।




৪. অরিজিনাল রাজশাহী সিল্ক

শাড়ি কালেকশনে অরিজিনাল রাজশাহী সিল্কের শাড়ি থাকবে না এরকমটা হতেই পারে না। রাজশাহীর বিভিন্ন ধরণের সিল্ক কালেকশনের মধ্যে আপনার কালেকশনে নিতে চান? তাহলে প্রণয়িনী এর সাথে থাকুন। এখানে আছে অরিজিনাল রাজশাহীর সিল্কে শাড়ি।

 

৫. মনিপুরি শাড়ী

মনিপুরি এনা সিল্ক শাড়ী পরতে খুবেই আরামদায়ক। এবং দামও হাতের লাগালে। এ শাড়ীর ১৩ হাত এবং ২.৬ বহর। এ শাড়ীর সাথে ব্লাউজ পিস নেই।



৬. ধুপিয়ান সিল্ক

জনপ্রিয় ধুপিয়ান সিল্ক অসাধারণ কালারের শাড়ি গুলো সফট ও পড়তে খুবই আরামদায়ক। এ শাড়ীর দাম খুবেই কম। যেকোন অনুষ্ঠানে, নতুন হোল্ড, বিবাহ,  নিমন্তন, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীগুলি পড়তে খুবেই আরাম।



৭. রাজশাহীর ফ্লোরা সিল্ক শাড়ি

শাড়ির কালেকশনে অরিজিনাল রাজশাহী ফ্লোরা সিল্কের শাড়ি থাকবে না এরকমটা হতেই পারে না। রাজশাহীর বিভিন্ন ধরণের সিল্ক কালেকশনের মধ্যে আপনার কালেকশনে নিতে চান? তাহলে প্রণয়িনী এর সাথে থাকুন। এখানে আছে অরিজিনাল রাজশাহীর সিল্কে শাড়ি।


৮. অরিজিনাল মসলিন শাড়ি

খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি রয়েছে প্রণয়িনী তে। যা খুব স্বল্প দামে পেয়ে যাবেন। এ শাড়ী যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীর কদর অনেক। বিভিন্ন ডিজাইনের ভিন্ন ভিন্ন কালারের শাড়ী পাবেন এখানে।



৯. এন্ডি সিল্ক

অরিজিনাল রাজশাহী এন্ডি সিল্ক পরতে খুবেই আরাম। এটি ১৪ হাত শাড়ি, রানিং ব্লাউজ পিস সহপাবেন প্রণয়িনীতে। এ শাড়ী ড্রাই ক্লিন করতে হয়। নয়তো নষ্ট হয়ে যায়।




নতুন নতুন শাড়ীর ডিজাইন পেতে হলে প্রণয়িনীর সাথেই থাকুন। এখানে পাবেন নতুন নতুন কালেকশনের শাড়ি। যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

Air Filter Cabin Filter Engine Oil