Mini Cart

অনলাইনে শাড়ি কিনবেন কোথা থেকে ?


বাংলাদেশে যে কোন উৎসবে বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ হচ্ছে শাড়ি। কিন্তু নারীরা নানা কাজে ব্যস্ত থাকায় মার্কেট এ যাওয়া হয়ে উঠে না যার কারনে অনেকে অনলাইনে শাড়ি কিনেন। কিন্তু অনলাইনে শাড়ি কেনার সময় নানান ভাবনা মাথার মধ্যে আসে- কিনব নাকি থাক? কিনেই ফেলি বরং! দেখা যাক না, একবার কিনে পরের বার না হয় দোকানে গিয়েই… এই রকম নানা ভাবনা ভেবে থাকে সবাই। বিশেষ করে যারা দোকানে গিয়ে থেবড়ে বসে শাড়ি পছন্দ করে কিনতে অভ্যস্ত, তাঁরা তো শুধু আকছারই এসব ভেবে থাকেন। তবে কী জানেন তো, যস্মিন দেশে যদাচার! এখন হচ্ছে অনলাইনে কেনাকাটার যুগ। মানুষের হাতে সময় কম। তাই সবাই ঘরে শুয়ে বসে অনলাইনে শাড়ী কিনে থাকে।


বাংলাদেশে এখন প্রতি বছর ১০০০ কোটি টাকার পন্য অনলাইনে বিক্রি হয়। আর প্রতিদিন অনলাইনে ডেলিভারি দেয়া হয় প্রায় ২০,০০০ অর্ডার। দেশে ওয়েবভিত্তিক অনলাইন শপ আছে প্রায় ১,০০০। ফেসবুক ভিত্তিক আছে প্রায় ১০,০০০ এরও বেশি।

অনলাইনে শাড়ি
অনলাইনে শাড়ি


বর্তমানে কারোর এই দোকানে গিয়ে এক ঘণ্টা ধরে শাড়ি বাছার ফুরসত নেই। তা ছাড়া অনলাইন শাড়ির রেঞ্জ বলুন, ডিসকাউন্ট বলুন, সবই অনেকটাই বেশি। কিন্তু কোন সাইট থেকে শাড়ি কিনবেন আর কেনার আগে কী-কী কথা মাথায় রাখবেন, সেটাও জানা জরুরি।

 


অনলাইনে শাড়ি কেনার ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রাখা জরুরি। তো চলুন সেগুলি জেনে নেই- 

  • যে শাড়ির ছবি দেখে আপনি পছন্দ করছেন, সেটা কিনার আগে অবশ্যই দেখে নিবেন ছবির নীচের লেখাটি। অনেক সময় ছবির নীচে ছোট করে লেখা থাকে যে ছবিটি শুধু বোঝাবার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে অথবা মডেল যে শাড়িটি পরেছেন সেই শাড়ির রঙ এর চেয়ে আলাদাও হতে পারে। সে সব ক্ষেত্রে ওই শাড়িটি না কেনাই ভাল মনে করি। 

 

  • আপনি যে সাইট থেকে শাড়ি কিনবেন সেখানে যেন COD বা ক্যাশ অন ডেলিভারির অপশন অবশ্যই থাকে। কেননা, আপনি যদি আগে থেকে অনলাইনে পেমেন্ট করে দেন এবং পরে যদি আপনার শাড়ি পছন্দ না হয় এবং সে শাড়িটি যদি ফেরত দিতে চান, তা হলে মুশকিলে পরতে পারেন। অথবা শাড়ীটি যদি আপনাকে না দেয়া হয় তবে আপনার টাকা টাই বিথা যাবে। কিন্তু আপনি প্রণয়িনী তে পাবেন COD বা ক্যাশ অন ডেলিভারির অপশন
  • আপনি যে সাইট থেকে শাড়িটি কিনছেন, সে সাইট এ গ্রাহক পরিষেবা, বিভিন্ন জায়গায় তার রেটিং কেমন এবং অন্যান্য সার্ভিস কেমন সেটা একবার অবশ্যই দেখে নিবেন। তারা কোন কুরিয়ার এর মাধ্যমে শাড়িটি আপনাকে ডেলিভারি দিচ্ছে, সে সম্পর্কেও আপনার অবশ্যই খোঁজখবর নেয়া দরকার। অনেক কুরিয়ার সংস্থা আছে ট্র্যাকিং এর ব্যবস্থা নেই, সেটাও কিন্তু একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে আপনার জন্য। তাই কিনার আগে অবশ্যই যাচাই করে কিনবেন। এ দিক থেকে প্রণয়িনী খুবেই কেয়ারিং।

    অনলাইনে শাড়ি
    অনলাইনে শাড়ি
  • আপনি যে সাইট থেকে শাড়ি কিনছেন (Online Saree Shopping) অবশ্যই দেখে নিবেন, যে সেই সংস্থার রিটার্ন পলিসি ঠিক কীরকম। অনেক কোম্পানিই প্যাকেট ছেঁড়া হলে শাড়ি ফেরত নিতে চায় না। এ ছাড়াও এদের আরও অনেক ধরনের শর্ত থাকে। সেগুলো অবশ্যই একটু দেখে নিবেন। অনেকে প্রোডাক্ট ফেরত নিয়ে নেয়, কিন্তু টাকা ফেরত দেয় নিজেদের সাইটের ক্রেডিটে! মানে, আপনি ধরুন ১,০০০ টাকা দিয়ে একটা লিনেন শাড়ী কিনেছিলেন, সেটা পছন্দ না হওয়া্র কারনে ফেরত দিতে চাইছেন। এবার সেই সাইট ফেরত নিবে ঠিক, কিন্তু ওই টাকাটা জমা থাকবে আপনার সাইট প্রোফাইলে। তার মানে হল, আপনি সরাসরি টাকাটা ফেরত পেলেন না। কিন্তু আপনাকে ঐ টাকা দিয়ে ওই সাইট থেকে আবার অন্য কোন জিনিস কিনতে হবে। প্রণয়িনী থেকে কিনলে আপনাকে টাকা ফেরত দেয়া হবে, কিন্তু ডেলিভারি চার্জ টা আপনাকে বহন করতে হবে।

    অনলাইন জগতে শাড়ি কিনার অনেক সাইট পাবেন। কিন্তু সব সাইট থেকে শাড়ি কিনা ঠিক হবে না, এতে ঠকার আশঙ্কা বেশি থাকতে পারে। তাই প্রণয়িনী থেকে শাড়ী কিনবেন, সেখান থেকে কিনলে আশা করা যায় ঠকবেন না। সাইট গুলির নাম হচ্ছে-


    প্রণয়িনীর গ্রাহক পরিষেবা থেকে শুরু করে ঠিক সময়ে ডেলিভারি দেওয়া এ ছাড়াও আরো অনেক কাজ আছে, যা অনেক দিন ধরে দশে দশ পাচ্ছেন এ সাইট টি। শিফন ও সিল্কের শাড়ি এখানে সবচেয়ে বেশি ভাল এবং চাহিদাও খুব। কারন এখানে পাবেন রাজশাহীর অরিজিনাল সিল্কের শাড়ী। বেশ ভাল চাহিদা আছে হাফ অ্যান্ড হাফ শাড়িরও এবং বেশ ভালো। শাড়ির দামের রেঞ্জ মোটামুটি ১০০০-৫০০০ এর মধ্যে থেকে শুরু হয়েছে এখানে। তবে কিনার আগে অবশ্যই দেখে নিবেন  Sold By বলে কার নাম দেওয়া আছে। কেননা যদি থার্ড পার্টি সেলার হয়, তবে সেই ক্ষেত্রে সেলারের সম্পর্কে একটু খোঁজখবর নিয়ে তবেই শাড়ী কিনা ভালো। নয়তো ঠকার সম্ভাবনা বেশি।


    মাত্র কয়েকদিন হল প্রণয়িনীর(Pronoyeni) এর  যাত্রা শুরু করেছে। তবে এর মধ্যেই খুব অল্প সময়ে অনেকের পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে এই নাম। বেনারসি শাড়ি যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য পরামর্শ দিব আদর্শ এই সাইট এর। সো এই সাইট থেকে খুব সুন্দর সুন্দর শাড়ি কিনতে পারবেন। শাড়ী গুলি খুবেই ভালো।


    এদের শাড়ির রেঞ্জ খুবেই এক্সক্লুসিভ। বিশেষ করে এমব্রয়ডারি করা ডিজাইনার শাড়ি গুলো বেশ বাজেটের মধ্যে পেয়ে যাবেন প্রণয়িনীর(Pronoyeni) থেকে। সো এই সাইট থেকে কিনতে পারেন কোন রকম দ্বিধা ছাড়াই।

    অন্যান্য সাইটের চেয়ে এই সাইটে শাড়ির দাম কম বাজেটেই পেয়ে যাবেন। তবে শাড়ির কোয়ালিটি নিয়ে কোনও কথা হবে না, কেননা শাড়ী গুলি খুবেই ভালো। এখানে সব রকমের শাড়ি পাওয়া গেলেও খাঁটি রাজশাহীর অরিজিনাল সিল্কের শাড়ির চাহিদা বেশ বেশি ভাল। সেই সাথে ঢাকাই জামদানি শাড়িরও চাহিদা আছে বেশ। সো এই সাইট থেকে আপনারা শাড়ী কিনতে পারেন।
অনলাইনে শাড়ি
অনলাইনে শাড়ি

এই সাইটে (Online Saree) শাড়ির দাম একটু কমেই অন্যান্য সাইটের তুলনায়। সুতরাং, আপনার বাজেট যদি কম হয়, তবে এই সাইটে আসাই সব থেকে ভালো। এবং আপনার বাজেটের মধেই শাড়ী পেয়ে যাবেন।


এই সাইটে কোন কিছুর দামাদামি করা লাগবে না। যারা ভাল শাড়ি কিনতে গিয়ে দাম নিয়ে কোনও রকম দরাদরি করেন না তাঁদের জন্য প্রণয়িনী  সব থেকে ভালো।  আর যারা হ্যান্ড প্রিন্টের শাড়ি পছন্দ করেন বা একদম খাঁটি হ্যান্ডলুমের শাড়ি পছন্দ করেন তারাও এই সাইট থেকে শাড়ী কিনতে পছন্দ করবেন। এ সাইটে খুব সুন্দর সুন্দর কালেকশনের ইন্ডিয়ান কাতান শাড়ী পাবেন।


আশা করা যায় প্রণয়িনী সাইট থেকে শাড়ী কিনলে ঠকার কোন সম্ভাবনা নেই।সব শেষে একটা কথাই বলব, শাড়ী কিনার আগে যে সাইট থেকে কিনছেন সে সাইট টি অবশ্যই যাচাই করে কিনবেন। নয়তো ঠকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।



Best SEO expert in Bangladesh. Do You Want To Target Boost Your Facebook Page Posts? Then contact Shopno Career It now Or if you want to message them on Facebook Messenger, click here. 

কাতান শাড়ি  তো অনেকেই পরেন কিন্তু এর ইতিহাস কজন জানেন !


শাড়ি শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শাটি শব্দ থেকে যার অর্থ হচ্ছে এক ফালি কাপড়। পরবর্তীতে এটি প্রাকৃত এর বিবর্তনের কারনে শাড়ি বা সাত্তিকা শব্দ হতে শাড়ি শব্দে পরিনত হয়েছে। সম্ভবত ইতিহাসের প্রাচীনতম পরিধেয় বস্ত্র হচ্ছে শাড়ি। যার জনপ্রিয়তা এখনও বিদ্যমান। কখন কিভাবে শাড়ির উৎপত্তি হয়েছিল সেই ইতিহাস খুব একটা স্পষ্ট বলা মুশকিল। শাড়ী হচ্ছে সেলাই বিহীন বস্ত্র একটি খণ্ড। শাড়ির উৎস হচ্ছে ২৮০০ খ্রীস্টপূর্ব থেকে ১৮০০ খ্রীস্টাব্দ এর দিকে যা সিন্ধু সভ্যতার সময় চিন্হিত করে আসছে। কাতান শাড়ি মুলত তৈরি করা হয় রেশমি সুতা ও সিল্ক সুতা দিয়ে। ২৪৫০ খ্রীস্টপূর্ব থেকে ২০০০ খ্রীস্টাব্দ এর দিকে সিল্ক ও রেশম চাষ হওয়ার কারনে তখন থেকে রেশম কাপড়ের প্রচলন শুরু হয়। কাতান শাড়ির প্রচলন শুরু হয় ১৯৪৭ সালের দিকে। তখন থেকে দেশ বিভাগের পর ভারতের বেনারস শহর থেকে মুসলমান তাঁতিরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে অর্থাৎ বর্তমানে বাংলাদেশে চলে আসেন। বাংলাদেশের তাঁতিরা তাদের নিজস্ব সৃজনশীলতা, নান্দনিক ডিজাইনের মাধ্যমে উন্নত রুচির পরিচয় দিচ্ছে বহু বছর ধরে এই কাতান শাড়ীতে।

[maxbutton id=”1″ url=”https://www.alizasmart.com/shop/” ]

 

katan sareeশাড়ি হচ্ছে ১২ হাতের একটি ক্যানভাস। শাড়ী ১২ হাতে ফুটে ওঠে কত রকমের নকশা, ভিন্ন ভিন্ন কারুকাজ। শাড়িকে বলা হয় বাংলাদেশী নারীদের জাতীয় পোশাক। নৈমিত্তিক এবং আনুষ্ঠানিকতায় শাড়ি হচ্ছে বাংলাদেশী নারীদের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পোশাক। শাড়ি ভালোবাসেনা এমন বাঙালি মেয়ে পাবেন খুবই কম। কত রকমের ভিন্ন নামের নানান নকশার শাড়ি আছে। কত রকম সুতা ব্যবহিত হচ্ছে শাড়ী বুনন কাজে। শাড়ি ছাড়া নারী যেন এক অসম্পূর্ণ সৌন্দর্য বয়ে বেরায়। টঙ্গাইল, মসলিন, বেনারসি,  জামদানী ও কাতান নানান রকম শাড়ি শোভা পাচ্ছে নারীর সৌন্দর্যে। কাতান শাড়ির সমারোহ অন্য রকম মাধুর্য বহন করে। আর একটি লাল টুকটুকে কাতান শাড়ি-ই পারে কনেকে সবার থেকে আলাদা করে রাখতে।


কাতান শাড়িঃ

শাড়ির ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে রয়েছে কাতান শাড়ি। সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে কাতানের নকশার বুনন আর রঙে এসেছে নানা রকমের পরিবর্তন। যুগ যুগ ধরে বদলে এসেছে শাড়ির পাড়, আচল ও বুনন এর কৌশল। বাংলাদেশের তাঁতিরা বছরের পর বছর কাতান শাড়ি বুনছে আপন সৃজনশীলতা দিয়ে। বেনারসি শাড়ির আরেকটি হচ্ছে কাতান শাড়ি। 

দেশ বরেণ্য ফ্যাশন ডিজাইনার হচ্ছে এমদাদ হক। তার ভাষ্যমতে জ্যাকার্ড হ্যান্ডলুমে টানা ভরনায় দেওয়া আছে রেশম সুতো আর তাঁতির বুননের সাথে সাথে জমিনে ভেসে উঠেছে বেনারসি মোটিফের লতা, কলকা, ফুল ইত্যাদি। এর নাম হচ্ছে কাতান শাড়ি। বিয়েতে উজ্জ্বল বাহারি রঙের কারুকাজের শাড়ির সমারোহ অন্যরকম এক মাধুর্য নিয়ে আসে। হালকা কাজে বা এক কালারের সাথে গাঢ় পাড়ের কাতান শাড়ি ব্যবহার করে থাকেন অনেক নারীরা। সাধারণত উৎসবে, পার্টিতে, বিয়ের অনুষ্ঠানে,  কাতান শাড়ি বেশি ব্যবহার করা হয়। আনন্দঘন মুহুর্তকে আরও আনন্দিত করতে কাতান শাড়ির জুড়ির কোন তুলনা নেই। বিয়ে এবং বৌভাতের অনুষ্ঠানে বিয়ের কনেকে কারুকার্য মন্ডিত উজ্জ্বল রঙের দেখাতে বেনারসি বা কাতান শাড়ি পড়িয়ে সাজানো হয়। আধুনিকতার সাথে সাথে কাতান শাড়ির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

কাতান শাড়ির বৈশিষ্ট্যঃ

katanকাতান শাড়ির ঐতিহ্য ও আভিজাত্য বাঙালি বধুর সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে আরো দ্বিগুণে। কাতান শাড়ি আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় লাভ পাচ্ছে। মেয়েরা বেড়াতে গেলে বা অনুষ্ঠানে গেলে প্রথম পছন্দের তালিকায় প্রথম কাতান শাড়িকে রাখে। কারন এ শাড়ি খুব সহজেই সামলানো যায়। এর ওজন হাল্কা এছাড়া এই শাড়ি দেখতে খুব সুন্দর দেখায়। শাড়িতে থাকে নানান রকমের কারুকাজ। উজ্জ্বল রঙের যেকোনো শাড়ি যেকোনো বয়সের নারীকে মানিয়ে তুলে খুব সহজেই। এক কালারের কাতান হলেও আঁচল আর পাড়ে বিভিন্ন নকশা করা হয়। কাতান শাড়ির অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে এর উজ্জ্বলতা। যেটির কারনে খুব গর্জিয়াস লুক দেখায়। নেট কাতান শাড়ি গুলো প্রায় সব নারীরাই ব্যবহার করতে পারে। যদিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শাড়ি বলতে আধুনিক ঘরানার শাড়িকেই জনপ্রিয় করা হয়েছে তবে উপমহাদেশের প্রতিটি অঞ্চলেই নিজস্ব ধরনের শাড়ির তৈরি ও জনপ্রিয়তা রয়েছে খুব।


কাতান শাড়ির জনপ্রিয়তাঃ

সেই সুদূর সুলতানি অথবা মুঘল আমল থেকেই বাঙালি নারিদের কাতান শাড়ি পরিধান করার রীতি উল্লেখযোগ্য হারে চোখে পড়ে সবার। আর কাতান শাড়ি ছাড়া এদেশের বড় ধর্মীয় উৎসব কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠান সমূহ যেন জমে উঠে না। আর একটি লাল টুকটুকে কাতান শাড়ি-ই পারে কনেকে সবার থেকে আলাদা করে রাখতে। কাতান ছাপিয়ে মাঝের সময়টুকুতে বিদেশি শাড়িগুলোর চাহিদা খুব বেড়ে গিয়েছিল। আাবার হঠাৎদেশীয় শাড়ির জনপ্রিয়তা ফিরে এসেছে। 

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে শাড়ী পড়ার জন্য খুব সুন্দর সুন্দর কালেকশনের শাড়ী পেয়ে যাবেন প্রণয়িনীতে। যা পড়লে আপনাকে অন্য সবার থেকে আলাদা লাগবে এবং খুব সুন্দর দেখাবে এতে।

জামদানি Jamdani Saree উপায়:


জামদানি শাড়ি চেনার আগে আমাদের জানতে হবে জামদানি ইতিহাস সম্পর্খে।

জামদানি হল কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত করা একধরনের পরিধেয় বস্ত্র। জামদানি বুননকালে তৃতীয় একটি সুতা দিয়ে নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়। মসলিন বয়নে যেমন ন্যূনপক্ষে ৩০০ কাউন্টের সুতা ব্যবহার করা হয়,তেমনি জামদানি বয়নে সাধারণত ২৬-৮০-৮৪ কাউন্টের সূতা ব্যবহার করা হয়। হালে জামদানী নানা স্থানে তৈরী করা হয় কিন্তু ঢাকাকেই জামদানির আদি জন্মস্থান বলা হয়।

Jamdani Saree
Jamdani Saree



জামদানি শাড়ি কি?

অনেকের ধারনা জামদানি ফার্সি শব্দ থেকে এসেছে। কার্পাস তুলা দিয়ে এ শাড়ি তৈরি করা হয়, তাই একে জামদানি শাড়ি বলা হয়। এ শাড়ির অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে এটা বয়নে ৭০ থেকে ৮০ কাউন্টের সুতা ব্যবহার করা হয়।



২০১৬ সালে জামদানিকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। ঐতিহ্যবাহী নকশা ও বুননের কারণে বাংলাদেশ কে এ স্বীকৃতি টা দেয়া হয়েছে।


অনেক বিক্রেতা আছে তারা জামদানি বলে টাঙ্গাইলের তাঁত, ভারতীয় কটন, পাবনা ও রাজশাহীর সিল্ক শাড়ি ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। আজকাল এরকম অনেক মার্কেট রয়েছে জামদানির নামে বিক্রি হচ্ছে নকল শাড়ি, যার ফলে ঐতিহ্যবাহী জামদানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ক্রেতারা। কিন্তু প্রণয়িনীতে পাবেন আসল ঢাকাইয়ের আসল জামদানি


সে জন্য আমাদের জামদানি শাড়ি কিনার আগে আসল জামদানি শাড়ি চিনতে হবে।

আসল জামদানি শাড়ি চিনার উপায়- 

  • জামদানি শাড়ি কেনার আগে আপনি অবশ্যই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কিনবেন – শাড়ির দাম, সূতার মান এবং শাড়ির কাজের সূক্ষ্মতা।
  • একটি জামদানি শাড়ি তৈরি করতে দুইজন কারিগর যদি প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা শ্রম দেন, তাহলে ডিজাইন ভেদে পুরো শাড়ি তৈরি করতে সাত দিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
  • জামদানি শাড়ি চেনার আরেকটি উপায় হচ্ছে এর সুতা ও মসৃণতা যাচাই করা। জামদানি শাড়ি বয়নে সুতি ও সিল্ক সুতা (সাধারণত ২৬-৮০-৮৪ কাউন্টের) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 
  • জামদানি শাড়ি যেহেতু হাতে বোনানো হয়, সুতরাং এই শাড়ির ডিজাইন হয় খুব সূক্ষ্ম এবং নিখুঁত। ডিজাইনগুলো হয় খুব মসৃণ।
  • কারিগর প্রতিটি সুতা এত নিখুত ভাবে হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনন করেন। যার কারনে সুতার কোনো অংশ বের হয়ে থাকে না। সে জন্য জামদানি শাড়ির কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা পিছনের অংশ, তা বুঝা যায় না পার্থক্য করা বেশ কঠিন।
     
  • জামদানি শাড়ির আঁচলের শেষ প্রান্তের সুতাগুলো আঙ্গুল দিয়ে মোড়ানোর পর যদি সুতাগুলো জড়িয়ে যায়, তবে বুঝবেন সেটা সিল্ক সুতা দিয়ে তৈরি আর যদি সুতাগুলো যে কোনো অবস্থায় সমান থাকে, তবে বুঝবেন তা নাইলন সুতে দিয়ে তৈরি।
  • কাউন্ট দিয়ে সুতার মান বোঝানো হয় জামদানি শাড়ির। যে সুতার কাউন্ট যত বেশি, সেই সুতা তত চিকন এবং অই সুতার শাড়ি ততই ভালো। সুতা যত চিকন হবে, কাজ ততই সূক্ষ্ম হবে। যা হচ্ছে একটি ভালো মানের জামদানি শাড়ির প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  • জামদানি শাড়িতে যে অংশটুকু কোমরে গুঁজা হয়, ওই অংশটায় কোনো পাড় বোনা থাকে না ( ওই অংশ সাড়ে পাঁচ হাত পর্যন্ত হয় )। কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়ির ক্ষেত্রে অন্যরকম, শাড়ির নিচের পুরো অংশজুড়েই পাড় থাকে।
  • জামদানির ডিজাইন নকল করা, মেশিনে বোনা শাড়ি কৃত্রিম সুতায় তৈরি হয় বলে এই শাড়িগুলো খুব ভারি এবং খসখসে হয়।
  • সাধারণত শাড়ি তৈরি করার সময়, সুতার মান ও কাজের সূক্ষ্মতা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়। এসব একটি জামদানি শাড়ির দাম হতে পারে ৩,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি।

 

জামদানি শাড়ির প্রকারভেদ-

১. হালফ সিল্ক জামদানিঃ হালফ সিল্ক জামদানি শাড়িতে সাধারনত দুই ধরনের সুতা থাকে। একটি হচ্ছে লম্বালম্বি, আরেকটি হচ্ছে আড়াআড়ি। লম্বালম্বি সুতে গুলি হচ্ছে তুলার এবং আড়াআড়ি তুলা গুলি হচ্ছে রেশমি সুতার। 

২. ফুল সিল্ক জামদানিঃ ফুল সিল্ক জামদানি শাড়িগুলোর  দুই দিকের সুতা গুলি রেশমি হয়ে থাকে।

৩. ফুল কটন জামদানিঃ ফুল কটন জামদানি শাড়ি তৈরি করা হয়ে থাকে সম্পূর্ণ সুতা এবং তুলা দিয়ে।


এই ছিলো আজকের জামদানি শাড়ি চিনার উপায়। আজকাল বাজারে আসল জামদানি বলে নকল জামদানি বিক্রি করছে। কিন্তু আপনারা প্রণয়িনীতে পাবেন খুব সুন্দর সুন্দর আসল ঢাকাই জামদানি শাড়ী। এখান থেকে আপনি শাড়ি নিলে ঠোকার কোন সম্ভাবনা নেই। ফলে আপনারা ঐতিহ্যবাহী আসল জামদানি থেকে বঞ্চিত হবেন না।

আপনি কি আপনার ফেসবুক পেজের পোষ্টকে টার্গেটেট বুস্ট করাতে চান!
 বা ওয়েবসাইটে SEO করাতে চান! তাহলে এখনি Shopno Career It এর সাথা যোগাযোগ করুন।

অথবা আপনি তাদের Facebook Messenger এ ও মেসেজ দিতে চাইলে এখানে Click করুন।

মসলিন শাড়ির দাম

সলিন শাড়িগুলি হল সরল তাঁতের সুতি কাপড় থেকে পাওয়া শীর্ষ শ্রেণীর শাড়ি। প্রথমে বাংলায় উৎপত্তি এবং পরে ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডে তৈরি করা হয়েছিল। কিছু লোক বিশ্বাস করে যে মসলিনের উৎপত্তি হয়েছে ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে। সুতরাং, মসলিন মূলত একটি ফ্যাব্রিক যার মাধ্যমে অনেক কাপড় তৈরি করা হয়।

মসলিন শাড়ির ধারণাটি 19 -এর দশকের শেষের দিকে প্রবর্তিত হয়েছিল যা সেই সময়ে সেরা মানের হওয়ার কথা ছিল। 17 তম শতাব্দীর পরে মসলিনে অনেক জাতের প্রচলন হয়েছিল। সুতরাং, মসলিন শাড়ি হল প্রাচীন শীর্ষ শ্রেণীর শাড়ি যা ভারতে উৎপত্তি হয়েছিল এবং পরবর্তীতে বিদেশে চলে গেছে। আজকাল, এই শাড়িগুলি 500 টিরও বেশি বৈচিত্র্যে পাওয়া যায়। 

মসলিন-শাড়ির-দাম
মসলিন-শাড়ির-দাম

মসলিন শাড়ির গুরুত্ব:

মসলিন শাড়িগুলি প্রাচীনকালের রাজকীয় শাড়ি বলে মনে করা হয়। গুণ এবং প্রকৃতির মধ্যে একই গুরুত্ব নিহিত। এটি সুতি কাপড় দিয়ে তৈরি যা ওষুধ, ড্রেস মেকিং এবং রন্ধনশিল্পেও ব্যবহৃত হয়। মসলিন শাড়ির সবচেয়ে ভালো সুবিধা হল এটি সহজেই জমিন শুকিয়ে যেতে পারে। মসলিন শাড়িতে বিভিন্ন ধরণের রঙ পাওয়া যায় যা আপনার সামগ্রিক চেহারা এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পারে। নিদর্শন থেকে গুণমান, সর্বত্র মসলিন শাড়ির স্থান সেরা।

 

মসলিন শাড়ির বৈশিষ্ট্য:

মসলিন হল বহিরাগত কাপড় এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় কাপড়। মসলিন শাড়ির কিছু বৈশিষ্ট্য হল,

  • এটি স্পর্শ-কাতর
  • এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং উচ্চমানের।
  • এটি দেখতেও বহিরাগত সুন্দর।
  • ঐতিহ্যবাহী ফুলের বুনন সরবরাহ করতে জামদানি কৌশল ব্যবহার করা হয়।
  • নিদর্শনগুলি অনন্য এবং আরাধ্য।
  • মসলিন শাড়িগুলি সিল্ক এবং তুলার সম্পূর্ণ সংস্করণ সরবরাহ করার জন্য যথেষ্ট সূক্ষ্ম।
  • এটি একটি রাজকীয় চেহারা দেয় এবং যুক্তিসঙ্গত মূল্যে থাকে।

কোন বয়সের মহিলাদের বেশি পছন্দ করা হয়?

মসলিন সুতির শাড়ি যেকোন বয়সের মহিলারা পরতে পারেন। তুলা মহিলাদের কাছে প্রশংসনীয়। মসলিন সিল্কের শাড়ি নতুন ডিজাইনের সঙ্গে সৃজনশীল; এই শাড়িগুলি 22 থেকে 40 বছর বয়সী মহিলারা পরতে পারেন। সিল্কের শাড়ির বিস্ময়কর রং সত্যিই প্রশংসনীয়। সুতরাং, সামগ্রিকভাবে মসলিন শাড়ি 20 থেকে 40 বছর বয়সের জন্য উপযুক্ত।

মসলিন-শাড়ির-দাম
মসলিন-শাড়ির-দাম

কোন শারীরিক আকৃতির মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়?

সৃজনশীল মসলিন শাড়ির অধিকাংশই সৌন্দর্যে বাড়তি ছাপ ফেলছে। আমরা জানি, স্লিম বডি শেপ সব ধরনের শাড়ির জন্য উপযুক্ত। মসলিন শাড়ির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা যেখানে মসলিন সিল্কের শাড়ি এবং ঢাকাই মসলিন শাড়ি মহিলাদের স্লিম দেহ পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। তদুপরি, অন্যান্য মসলিন শাড়ি শরীরের সমস্ত ফিগার দ্বারা পরা যেতে পারে। মসলিন শাড়ির সৌন্দর্য এমন যে নিখুঁত বডি ফিগারের প্রয়োজন নেই।

 

আপনি কি আপনার ফেসবুক পেজের পোষ্টকে টার্গেটেট বুস্ট করাতে চান ! তাহলে এখনি Shopno Career It এর সাথা যোগাযোগ করুন।

অথবা আপনি চাইলে তাদের Facebook Messenger এ ও মেসেজ