Mini Cart

থ্রি পিস কি?

মেয়েদের অন্যতম ভালোবাসার জায়গা থ্রি পিস। থ্রি পিসের মধ্যে থাকে একটি কামিজ (জামা), একটি সালোয়ার এবং একটি ওড়না। এই তিনের সমন্বয়ে থ্রি পিস। বাঙালি মেয়েদের পরিধানে শাড়ির পর সব থেকে বেশি যে পোশাকটি দেখতে পাওয় যায় তার নাম হল থ্রি পিস বা সালোয়ার কামিজ।

থ্রি পিস - প্রচলনের ইতিহাস

প্রাচীনকালে সালোয়ার কামিজের দেখা মেলেনি, এমনকি চর্যাপদে এই পোশাকের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাহলে বাঙালিয়ানায় এ পোশাক যুক্ত হলো কিভাবে?

শুরুর দিকে মঙ্গোল যুগে, সালোয়ার কামিজ কে মুসলিম পোশাক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। দ্বাদশ শতাব্দীতে তিমুরিদ আক্রমণ করে আমাদের এই উপমহাদেশে। তিমুরিদ রাজবংশ, তুর্কি-মঙ্গোল বংশোদ্ভূত রাজবংশ বিজেতা তৈমুর (টেমেরলেন) থেকে এসেছে। যারা সাথে করে যাযাবর পোশাক হিসেবে নিয়ে আসে এরকম হাবভাবের পোশাক। 

সেই সময়ে নারীদের পোশাক ছিলো কোমরের উপর একটু আটসাট করে ফিটিং করা যা এখন আমাদের লং গাউন, আনারকলী এসবের সাথে মিলে যায় এবং তখন তারা এই পোশাকের সাথে ওড়না ও ব্যবহার করতো।

প্রথম দিকে রাজ কাজে বাদশাহের পরিবারে এসব পোশাক পরিধান করা হলেও পরবর্তীতে অভিজাত পরিবারে এবং তার ও পরে গ্রামের ধনীদের এসব পোশাক পরতে দেখা যায়। এরপর বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ এসব পরিধান করা শুরু করে। যা পরে মুঘল সাম্রাজ্যে আরো পরিবর্তন করা হয়। তৈমুরদের বংশধরেরা প্রতিষ্ঠা করেছিলো মুঘল সাম্রাজ্য। 

সঠিক সময় কাল জানা না গেলেও ধারনা করা হয় যে মুঘল আমল থেকেই থ্রি পিসের প্রচলন শুরু হয়। তবে তখনো এর জনপ্রিয়তা তেমন চোখে পরার মত ছিল না। আরো কয়েক শতাব্দী পর, ৮০/৯০ দশকের বলিউড সিনেমার বদৌলতে সালোয়ার কামিজের নাম ছড়িয়ে পরে জনসাধারণের মুখে মুখে। এজন্য মুঘল সাম্রাজ্য কে বলা হয় টেক্সটাইল কারুশিল্পের স্বর্ণযুগ।

বিভিন্ন প্রকারের থ্রি পিস

মেয়েদের অন্যতম ভালোবাসার জায়গা থ্রি পিস। থ্রি পিসের মধ্যে থাকে একটি কামিজ (জামা), একটি সালোয়ার এবং একটি ওড়না। এই তিনের সমন্বয়ে থ্রি পিস। বাঙালি মেয়েদের পরিধানে শাড়ির পর সব থেকে বেশি যে পোশাকটি দেখতে পাওয় যায় তার নাম হল থ্রি পিস বা সালোয়ার কামিজ।

ল’ন থ্রি পিসঃ ল’ন থ্রিপিসের নাম শুনেন নি এমন মানুষ খুজে পাওয়া দুস্কর। ল’ন/ LAWN নামটি এসেছে ফ্রান্স এর LAON শহরের নাম থেকে।এই শহর থেকেই ল’ন এর উৎপত্তি হলেও ভারত ও পাকিস্তানে এর ব্যাপক উৎপাদন ও এর মাধ্যমে এর জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রথমে শুধু ভিসকস/দামী লিনেন সুতা দিয়ে তৈরি হলেও।পরবর্তীতে ১০০% কটন সুতা দিয়ে তৈরী করা হতো বলে আরামদায়ক , দামেও সস্তা ও বহুল জনপ্রিয় হয়ে উঠে ল’ন থ্রি পিস,চলে আসে সব শ্রেণির ক্রেতাদের হাতের নাগালে। 

শুরুর দিকে ১০০% কটন এর সুতা দিয়ে তৈরী হতো বলে এই কাপড় হতো অনেক স্বচ্ছ ও পাতলা,ফলে কোন অর্নামেন্টাল হাত/মেশিনের কাজ করা যেতো না,তাই পাকিস্তান ও ইন্ডিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশেও ৫০% কটন ও ৫০% ভিসকস সুতা দিয়ে ল’ন তৈরী করা হয়।তাতে কাপড়ের গঠন অনেকটাই মজবুত হয়ে দৈনন্দিন ব্যবহারের ও উপযোগী হয়ে উঠে। ল’ন কাপড় ভয়েল ও অরগ্যান্ডির মাঝামাঝি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ।অর্থাৎ ভয়েলের চাইতে কম স্বচ্ছ ও অরগ্যান্ডির চাইতে বেশি নরম। ল’ন কাপড়ে সাধারনত কটন সুতার কাউন্ট থাকে ৭০ আর ভিসকস/পলিস্টার সুতার কাউন্ট থাকে ১০০।

কটন জামদানি থ্রি-পিসঃ জামদানি থ্রি-পিসগুলো কখনোই পিউর কটনের উপর তৈরি হয় না ৷ অনেকের ই ধারনা এই থ্রি-পিসগুলো পিউর কটনের উপর তৈরি করা হয় ৷ এই ধারণাটি একেবারেই সঠিক নয়৷ এই থ্রি-পিসগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো মূলতঃ মিক্সড কটন সূতায় তৈরি করা হয় ৷ অর্থাৎ পিসি (পলিষ্টার কটন) সূতায় তৈরি হয় কিংবা তসর কাপড়ের উপর তৈরি করা হয় ৷ তবে সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় পিসি সূতায় ৷ তাই এই থ্রি-পিসগুলো পরতে অনেক আরামদায়ক হয় এবং বাজেট ফ্রেন্ডলি হয় ৷ তাইতো এই থ্রি-পিসগুলোর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ থাকে অনেক অনেক গুন বেশি ! দিন দিন এর চাহিদা আরো দ্বিগুণ বেড়ে চলেছে ৷

সুতি থ্রি পিসঃ আরামদায়ক পোশাক পরতে হলে সুতি কাপড়ের বিকল্প নেই। কারণ সুতি হলো প্রাকৃতিক ফেব্রিক। তুলা থেকে তৈরি হয় সুতা। এরপর ওই সুতা থেকে তৈরি হয় সুতির পোশাক। আসল সুতি কাপড়ের বুনন হবে পাতলা। গরমের সিজনে সুতি থ্রি পিস পরার মত আরমাদায়ক আর কিছু হতেই পারে না। আরামদায়ক বলে অনেকেই এক কালার কামিজ ডিজাইন ওয়ান পিস কালেকশন পরিধান করতে বেশি পছন্দ করছেন।

আনস্টিচড, সেমি-স্টিচড অথবা রেডিমেডঃ সব ধরনের থ্রি পিসের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। আকর্ষণীয় রঙে রুপে এসব সালোয়ার কামিজ এখন টেক্কা দিচ্ছে দামি স্যুট কিংবা ওয়েস্টার্ণ ড্রেসকে। জর্জেট থ্রি পিস, কাতান থ্রি পিস, তাঁতের থ্রি পিস, পাকিজা থ্রি পিস ইত্যাদি সালোয়ার কামিজ কালেকশন গুলো মেয়েরা এখন পরিধান করছে সারা বছর জুড়েই। ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা আনস্টিচড থ্রি পিসে ফুটিয়ে তুলছে তাদের নিজস্ব সৃজনশীলতা, সেক্ষেত্রে ডিজাইনে ভিন্নতা আনার জন্য থ্রি পিসের হাতার ডিজাইন এবং গলার ডিজাইনে জোড় দেয়া হচ্ছে বেশি। অন্যদিকে রেডিমেড কাজ করা থ্রি পিসেও থাকছে চোখ ধাঁধানো রঙ আর নকশার ছটা।

সিল্কের থ্রি পিসঃ ‘সিল্ক’ ইংরেজি শব্দ, বাংলায় রেশম। রাজশাহী পরিচিত হয় ‘রেশম নগরী’ হিসেবেই। যুগ-যুগান্তর থেকে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের রুচি ও ফ্যাশন নিত্যনতুন বদলাচ্ছে। কিন্তু এত ফ্যাশনের ভিড়ে আজও অমলিন রেশমের ঐতিহ্য। হাজার পণ্যের মধ্যেও বাঙালি সংস্কৃতিতে রেশমের আভিজাত্য এক রত্তিও কমেনি। বছরের অন্য সময় তো বটেই; ঈদ-পরবে তো কথাই নেই। রেশমি পোশাক যেন চাই-ই চাই। আর যখনই কোথাও রেশমের কথা উঠবে। তখনই মনে পড়বে উত্তরের শহর রাজশাহীর নাম।

বিবিধঃ বিয়ে কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে গাউন এর পরিবর্তে গাউন থ্রি পিস কিংবা ভারী পাঞ্জাবী, গুজরাটি স্টাইল সারারা সালোয়ার পরাটাই এখন মেয়েদের ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। রঙিন সুতার এমব্রয়ডারি থ্রি পিস অথবা সালোয়ার কামিজে প্রিন্ট ডিজাইন এখন বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। এছাড়াও ফ্যাশন প্রিয় তরুনীদের এখন পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি লোন থ্রি পিস, ফেরদৌস লোন থ্রি পিস দেশি ডিজাইনের মধ্যে রয়েছে শাপলা থ্রি পিস কালেকশন। রঙ বেরঙ্গের কাজ করা থ্রি পিস কিনতে রমনীরা বাছাই করছে ব্লক বাটিক ডিজাইনের থ্রি পিস।

গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখেই আকর্ষণীয় কালেকশন লঞ্চ করেছে মেহজিন ব্রান্ড। তাহলে আর দেরি কেন? এখুনি সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের কালেকশন।

তাহলে আর দেরি কেনো? এখুনি যোগাযোগ করুন

আপনার পছন্দের থ্রি পিসের স্টক শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্ডার করুন। অথবা, সরাসরি আমাদের শো রুমে ভিজিট করে, আকর্ষণীয় মূল্য ছাড়ে আপনার পছন্দের থ্রি পিস সংগ্রহ করুন। 

পছন্দের থ্রি পিস অনলাইনে অর্ডার করতে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানাসহ ইনবক্স করুন- m.me/mehzin.retail

অথবা, সরাসরি আমাদের আউটলেট থেকে পার্চেজ করুন।

আউটলেট লোকেশনঃ এফ এস স্কয়ার, লেভেল-৩, শপ নাম্বার
৪২৮-৪২৯, মিরপুর ১০ গোলচত্তর মেট্রোরেল স্টেশনের সাথে, মিরপুর ১০, ঢাকা।

পহেলা বৈশাখ কি?

পহেলা বৈশাখ বা পয়লা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি সকল বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের দিন। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়।

পহেলা বৈশাখের ইতিহাস

পহেলা বৈশাখের যে উৎসব তার আতুড়ঘর, সৃষ্টির ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে রাজা-বাদশাহদের প্রাসাদে। নববর্ষ অর্থাৎ নতুন বছর, একেবারে নির্দিষ্ট করে বললে বলতে হয় নতুন বঙ্গাব্দর জন্ম মোগল বাদশাহ আকবরের দরবারে। আকবরই এই সনের প্রবর্তক।

এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর। এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

সে সময় বাংলার কৃষকরা চৈত্রমাসের শেষদিন পর্যন্ত জমিদার, তালুকদার এবং অন্যান্য ভূ-স্বামীর খাজনা পরিশোধ করত। পরদিন নববর্ষে ভূস্বামীরা তাদের মিষ্টিমুখ করাতেন। এ উপলক্ষে তখন মেলা এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। ক্রমান্বয়ে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে পহেলা বৈশাখ আনন্দময় ও উৎসবমুখী হয়ে ওঠে এবং বাংলা নববর্ষ শুভদিন হিসেবে পালিত হতে থাকে।

পহেলা বৈশাখের অন্যরকম আবহ

বাঙালির সবচেয়ে বড় সর্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে বরণ করা হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩১। এবারের পহেলা বৈশাখের অন্যরকম আবহ। ঈদের ছুটির পরপরই পহেলা বৈশাখ। আর তাই সরকারি বেসকারি চাকরিজীবী, পেশাজীবীরা ৬-৭ দিনের ছুটি পেয়েছেন। ঈদের আনন্দের পরপরই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের আনন্দে মেতে উঠবে দেশবাসী। এমনটা এর আগে দেখা যায়নি খুব একটা।

পহেলা বৈশাখের রং কেন লাল-সাদা?

বৈশাখের চিরায়ত রং সাদা-লালের চল কেন বা কবে থেকে, এ নিয়ে রয়েছে মতভেদ।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বৈশাখের আয়োজন ছিল হালখাতা কেন্দ্রিক। হালখাতার মোড়কের রং লাল এবং ভেতরের পাতার রং সাদা। সেখান থেকে বৈশাখে সাদা-লাল আসতে পারে কিংবা মোগল আমলে বাদশাহকে খাজনা দেওয়ার সময় লাল সালু কাপড়ে বেঁধে দেওয়া হতো। সেই থেকেই লাল রং আমাদের বৈশাখে চলে এসেছে। অন্যদিকে সাদা হচ্ছে শুভ্রতার প্রতীক।। আবার হিন্দু নারীদের বৈশাখে পূজা-পার্বণে সাদা-লাল শাড়ি পরা থেকেও এই চল আসতে পারে। বাঙালির যেকোনো উত্সবেই লাল রঙের আধিপত্য লক্ষণীয়। যেহেতু বৈশাখের প্রথম দিন প্রায় সময়ই বেশ গরম থাকে, তাই স্বস্তির কারণেও সাদা-লাল সর্বজনীনতা পেয়েছে।

বাংলা নববর্ষের রীতি-নীতি

সম্রাট আকবরের শাসনামল থেকে পহেলা বৈশাখের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও পরবর্তিতে বিভিন্ন বাঙ্গালি রীতি-নীতি আমাদের বর্ষ বরণে স্থান পেয়েছে। সেগুলোর কিছু অংশ এখানে তুলে ধরা হলো-

  • গ্রামীন রীতি-নীতিঃ এ রীতি অনুসারে ভোর সকালে কৃষকেরা নতুন জামা গায়ে দিয়ে পরিবারের সাথে নানান পদের ভর্তা দিয়ে পান্তা ভাত, পিঠা-পুলি, মিষ্টি খেয়ে দিনটি সূচনা করে। তাছাড়া, কয়েকটি গ্রাম মিলে বৈশাখী মেলার আয়োজন করতো। সেখানে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরাও তাদের পণ্য মেলায় উঠাতেন। কেউ মাছ, কেউ খেলনা, কেউবা শাড়ি-চুড়ি, চুলের ফিতা। ধারণা করা হয় আমাদের ইলিশ মাছ খাবার ঐতিহ্য এই মেলা থেকেই এসেছে।
  • রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ ও মঙ্গল-শোভাযাত্রাঃ প্রতি বছর রমনার বটমূলে ছায়ানটের গানের অনুষ্ঠান থাকে। সূর্য উঠার সাথে সাথে নতুন বছরের মঙ্গল কামনায় রমনার বটমূল গানে গানে মুখরিত হয়ে উঠে। সকলে মিলে একই সুরে গেয়ে ওঠে-“এসো, হে বৈশাখ এসো এসো”। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে গ্রামীন সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন মুখোশ ও মুর্তি বানিয়ে ঢাকার রাস্তায় শোভাযাত্রা করে বরণ করা হয় নতুন বছরকে। এই শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারে সকলেই।
  • প্রাচীন বউমেলা ও ঘোড়ামেলাঃ সোনারগাঁও এ ঈসা খাঁ এর আমলে বউমেলা হতো। সেখানে স্থানীয় বটতলায় কুমারী, নববধূ ও মায়েরা তাদের মনের ইচ্ছা পূরণে পূজা করতো। পাঁঠা বলি দেয়া হতো আগে। তবে এখন শান্তির বার্তার আশায় তারা দেবীর কাছে কবুতর বা পায়রা উড়িয়ে দেয়। এছাড়াও সোনারগাঁও এ ঘোড়ামেলারও প্রচলন ছিলো। লোকমুখে প্রচলিত আছে যে, আগে যামিনী সাধন নামের এক ব্যক্তি নববর্ষের দিন ঘোড়া চড়ে সবাইকে প্রসাদ দিত। তার মৃত্যুর পরে সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ বানানো হয় এবং পরবর্তীতে এটিকে কেন্দ্র করে মেলার আয়োজন হয়। আগে মাটির ঘোড়া রাখা হতো, এরপর থেকে মেলায় নাগর-দোলা, চরকা, ঘোড়ার আকারে ঘূর্ণী দোলনা রাখা হয়।

পহেলা বৈশাখের আমেজে বৈশাখী শাড়ি

বাঙালি নারীর কাছে শাড়ি হলো সৌন্দর্যের ব্যাকরণ। উৎসবে-পার্বণে বাঙালি নারীরা শাড়িকেই বেছে নেন। আর সেই উৎসব যদি হয় বাংলা নববর্ষ, তবে নারীদের পছন্দের তালিকায় অবশ্যই সবচেয়ে ওপরে থাকে শাড়ি। 

আপনার পহেলা বৈশাখকে রাঙ্গিয়ে তুলতে এবারে মেহজিন ব্রান্ড অসাধারণ কিছু শাড়ির কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছে।

 

তুলিঃ ব্লেন্ডেড তসর সিল্কের দারুন কোমল এক শাড়ি, যার নাম দেওয়া হয়েছে তুলি। আকর্ষণীয় শাড়িটি বৈশাখে আপনাকে অন্যদের চেয়ে আরো বেশি সুন্দর করে তুলবে।

পালকিঃ ব্লেন্ডেড তসর সিল্কের আরেকটি শাড়ি, যার নাম দেওয়া হয়েছে পালকি। আকর্ষণীয় শাড়িটি বৈশাখে আপনাকে অন্যদের চেয়ে আরো বেশি সুন্দর করে তুলবে।

শোভাঃ ব্লেন্ডেড তসর সিল্কের আরেকটি শাড়ি, যার নাম দেওয়া হয়েছে শোভা। আকর্ষণীয় শাড়িটি বৈশাখে আপনাকে অন্যদের চেয়ে আরো বেশি সুন্দর করে তুলবে।

বৈশাখে নিজেকে সবার সামনে আরো আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে আপনার পছন্দের শাড়ি এখুনি অর্ডার করুন, স্টক লিমিটেড। 

পছন্দের শাড়িটি অর্ডার করতে অনলাইনে অর্ডার করতে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানাসহ ইনবক্স করুন- m.me/mehzin.retail

অথবা, সরাসরি আমাদের আউটলেট থেকে পার্চেজ করুন।

আউটলেট লোকেশনঃ এফ এস স্কয়ার, লেভেল-৩, শপ নাম্বার
৪২৮-৪২৯, মিরপুর ১০ গোলচত্তর মেট্রোরেল স্টেশনের সাথে, মিরপুর ১০, ঢাকা।

ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা লেখক, কথা সাহিত্যিক সমরেশ বসু, বলেছেন “অনুগ্রহ আর সংস্কৃতি যখন হাত মিলিয়েছিলো, তখন শাড়ি জন্ম নিয়েছিলো”। শাড়ি হল এমন একটি পোশাক যা পড়লে বাংলার মেয়েদের রূপকে আরও বেশি সুন্দর করে তোলে। শাড়ি পারে একটি মেয়ের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি করতে। বাঙালি মেয়েরা শাড়ি পরতে অনেক বেশি পছন্দ করে থাকেন। বছরের নতুন দিন, পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠান, বিভিন্ন পার্টি এছাড়া অনেক অনুষ্ঠানে তারা শাড়ি পরিধান করা বাঙ্গালী নারীদের ঐতিহ্য।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মেয়েরা তাদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তারা বিভিন্ন ধরনের রং বেরঙ্গের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। যেমন তাঁতের শাড়ি, কাতান শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের সিল্ক শাড়ি, এছাড়া এখন নতুন পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক এর শাড়ি। আবার আছে নকশী শাড়ি, মেয়েরা তাদের শাড়িতে নিজেদের ইচ্ছেমতো বিভিন্ন ধরনের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলেন, কেউ কেউ পরে ফেব্রিক এর মাধ্যমে রং তুলি দিয়ে আবার কেউবা পরে সুই সুতা দিয়ে নিজের মতো করে শাড়ি। এ শাড়ি গুলো পরলে মেয়েদের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বেনারসি শাড়ি, মসলিন শাড়ি, জামদানি শাড়ি, জর্জেট শাড়ি এগুলো বাংলার নারীরা বেশি পরিধান করে থাকেন।

এছাড়া এখনকার মেয়েরা নিজের পছন্দমত শাড়িতে চুমকি এবং জরি দিয়ে বিভিন্ন রূপে শাড়ীকে সাজ্জিত করে থাকেন। কোন কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বাংলার রূপ বৈচিত্র, আবার কোন কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের ছবি, আবার কোন কোন শাড়ীতে দেখা যায় বিভিন্ন আলপনা। এরকম শাড়ি দেখলে বাংলার প্রাচীন বাংলাকে স্মরণ করিয়ে দেয় সবার মাঝে। এ শাড়ি বিদেশেও খুব প্রচলন রয়েছে। তারাও এরকম শাড়ি পড়তে খুব পছন্দ করে। কারণ কথায় আছে শাড়িতেই নারী।

শাড়ি হচ্ছে এমন একটি পরিধেয় বস্ত্র যা নারীদের রূপ বৈচিত্র কে এক নতুন রূপে সজ্জিত করে তুলে। এছাড়া শাড়ি হচ্ছে আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম। বারো হাত হচ্ছে শাড়ি, যা নারীদের সৌন্দর্যকে গরে তোলে এক অপরূপ বৈচিত্রে। যা অন্য পোশাক পড়লে নারীকে এতটা সুন্দর কখনো লাগবে না।  তাই বলা হয় শাড়ি ছাড়া নারীকে অন্য  পোশাকে কোনদিনই মানাবে না। সেজন্য বাংলার রূপ বৈচিত্র কে টিকিয়ে রাখতে হলে শাড়ির কোন বিকল্প উপায় নেই বলা চলে। তাই সবার একটি কথাই মেনে চলতে হবে শাড়ির মাধ্যমেই আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে পারি। আর শাড়ির কদর শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বব্যাপী শাড়ির কদর রয়েছে অপরিসীম।

বিভিন্ন উৎসব মানেই মনে হয় নারীদের শাড়ির কদর কেমন তা বুঝা যায়। শাড়ির দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকে নারীদের। যা দেখলে বোঝা যায় বাংলাদেশের নারীদের শাড়ির কদর কত বেশি। এছাড়া বাংলাদেশি শাড়ি বিশ্বে অনেক প্রচলন রয়েছে। বাংলার জামদানি মসলিন কাতান যা অন্য দেশের  থেকে অনেক গুনে ভালো, যার কদর সারা জীবনই অনেক রয়েছে এবং থাকবে। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি শাড়ির জন্য বিখ্যাত।

নিত্য নতুন পোশাকের আধুনিকায়ন হলেও বাঙালি নারীর শাশ্বত সৌন্দর্য ফুটে ওঠে কেবল শাড়িতেই শুধু। শাড়ির চিরন্তন আবেদন আজও অমলিন রয়ে গেছে। ১২ হাত একখানা শাড়ির সৌন্দর্যের কাছে যেন হার মানে অন্য সব দামি দামি পোশাক। আর তাই তো বাঙালি নারীদের কাছে শাড়ি খুব শখের একটি পোশাক।

ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার সেহরি এবং ইফতারের সময়সূচি

বরকতময় সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজানের রোজার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্যে এখানে প্রকাশিত হয়েছে। ১১ই মার্চ সাবান মাসের ২৯দিন পূর্ণ হয়ে ১২ই মার্চ ২০২৪ সালে, ১৪৪৫ হিজরি থেকে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। এক্ষেত্রে ১১ই মার্চ দিবাগত রাতে বাংলাদেশের মুসলমানগণ সেহরি খেয়ে রোজা পালন শুরু করেন।

অবশ্যই চাঁদ দেখা সাপেক্ষে রমজান মাস ও রোজা শুরু হয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে সাবান মাস ২৯ দিনে শেষ হলে ১২ই মার্চ তারিখ থেকে রমজান মাস শুরু হবে, এক্ষেত্রে ১১ই মার্চ তারিখ দিবাগত রাতেই সেহরি খেতে হবে এবং আমরা মাহে রমজান শুরু সাপেক্ষে সেহরি-ইফতার সূচীটি প্রকাশ করেছি। সাবান মাস ত্রিশ দিন পূর্ন হলে ১৩ই মার্চ থেকে রোজা শুরু হতে পারে এবং সে অনুযায়ী সূচী সংশোধন করে প্রকাশ করা হবে।

আরবি/হিজরি বছর একটি চন্দ্র বর্ষ যা ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহামানব মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) তাঁর জন্মস্থান মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত (সফর) করার সময় থেকে মুসলমানগন গণনা করে আসছে। আর হিজরি বছরের ৯ম মাস মাহে রমজান যা মুসলমানদের জন্যে রহমত, বরকত ও নাজাত লাভের এক মহাপবিত্র মাস। রমজান মাসের পুরো মাস ব্যাপি মুসলমানগন সিয়াম পালন করে থাকেন ও সবসময় আল্লাহর ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। এই মাসে আল্লাহর ইবাদত করলে অন্য যে কোন মাসের তুলনায় বেশি নেকী পাওয়া যায়।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি অনুসরন করে বরাবরের মত এবারও আলোরমেলা আপনাদের জন্যে একটি চমৎকার রোজার ক্যালেন্ডার তৈরী করেছে। ক্যালেন্ডারটি ছবি আকারে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে বা আপনার স্মার্ট ফোনে রেখে অনুসরন করতে পারেন এবং শেয়ার করতে পারেন আপনার পরিচিত জনদেরকেও।

বাহারি ডিজাইনের শাড়ি ও ড্রেস কালেকশন ২০২৪

ঈদ মানে হাঁসি, ঈদ মানে খুশি। ঈদের আমেজকে আরো দ্বিগুণ বৃদ্ধি করে তোলে নতুন পোশাক। বিষয়টা যদি হয়ে থাকে মেয়েদের পোশাক, তাহলে তো কথাই নেই। প্রতিটি মেয়েই চায় নতুনত্ব এবং আভিজাত্যের ছাপে নিজেকে রাঙ্গিয়ে নিতে। আপনাদের কথা মাথায় রেখেই এবার মেহজিন ব্রান্ডের ঈদ কালেকশন সাজানো হয়েছে। যারা নিজেকে সবার থেকে একটু ভিন্নভাবে এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে চান, তাদের জন্যই আমাদের এবারের শাড়ির কালেকশন সাজানো হয়েছে।

ঈদের সারা দিন ও গরমের কথা মাথায় রেখেই করা হয়েছে শাড়ির নকশা। সিল্ক, হাফসিল্ক, মসলিন শাড়িগুলোতে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক, কাঁথার ফোঁড় ও এমব্রয়ডারির কাজ করা হয়েছে।

ঈদের শাড়ি কালেকশন ২০২৪

মেহজিন ব্রান্ডের অন্যতম আকর্ষণীয় ঈদ স্পেশাল শাড়ির দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম। নীল, হলুদ, আসমানী, গোলাপি, মেজেন্টা, সবুজ, কালো, টিয়া, আসমানী সহ প্রায় সব ধরনের রঙের শাড়ি রয়েছে আমাদের কালেকশনে। প্রতিটি শাড়িতে রয়েছে আকর্ষণীয় ব্লক প্রিণ্ট, সুতার এম্ব্রটেরি কাজ করা হয়েছে। তাছাড়াও শাড়িগুলোর সাথে রানিং ব্লাউজ পিস আছে। ১৩.৫ হাত শাড়ি এবং বহর এ ২.৫ হাত (৪৬”) পরিমাপ এ কম বেশি হতে পারে তাছাড়া শাড়িটির পাড়ে রয়েছে আকর্ষণীয় প্রিন্টের ডিজাইন। ফুল এবং এম্ব্রোডারির কাজ। 

Sale

Black, Blue, Brown, Cyan, Gold, Green, Grey, Pink, Purple, Sliver, White

Pakistani luxury quta fabric-B

৳ 2,250.00 (20% off)
Sale

Black, Blue, Brown, Cyan, Gold, Green, Grey, Pink, Purple, Sliver, White

Pakistani luxury quta fabric-A

৳ 2,000.00 (11% off)
Sale

Black, Blue, Brown, Cyan, Gold, Green, Grey, Pink, Purple, Sliver, White

Pakistani luxury quta fabric-B

৳ 2,000.00 (11% off)

৳ 2,500.00 (28% off)

Pakistani luxury quta fabric-A

৳ 2,250.00 (20% off)

ঈদের ড্রেস কালেকশন ২০২৪

মেহজিন ব্রান্ডের সব সময়ই অনন্য। শুধুমাত্র শাড়ির কালেকশনেই সীমাবদ্ধ নই, আমাদের রয়েছে আকর্ষণীয় ড্রেস কালেকশন  নীল, হলুদ, আসমানী, গোলাপি, মেজেন্টা, সবুজ, কালো, টিয়া, আসমানী সহ প্রায় সব ধরনের রঙের ড্রেস রয়েছে আমাদের কালেকশনে। প্রতিটি ড্রেসে রয়েছে আকর্ষণীয় ব্লক প্রিণ্ট, ডলার ওয়ার্ক, সুতার এম্ব্রটেরি কাজ করা হয়েছে। সব ধরনের সাইজ পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।

তাহলে আর দেরি কেনো? এখুনি যোগাযোগ করুন

আপনার পছন্দের ড্রেস বা শাড়িটির স্টক শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্ডার করুন। অথবা, সরাসরি আমাদের শো রুমে ভিজিট করে, আকর্ষণীয় মূল্য ছাড়ে আপনার পছন্দের ঈদ কালেকশন সংগ্রহ করুন।